শনিবার, ২০ Jun ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

রামু ও টেকনাফে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৩৮ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২

ভয়েস প্রতিবেদক, টেকনাফ:

রামু ও টেকনাফে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১৫।

আটককৃত মাদক কারবারিরা হলেন,টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড কাটাবুনিয়া এলাকার মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে জাফর আলম(৪৪) এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নাইক্ষ্যংছড়ি ইউনিয়নের প্রধান ঝিরি এলাকার মৃত আবুল বাশারের ছেলে মো. ইউনুস (৪০)।

কক্সবাজার র‌্যাব-১৫,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) মো. আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান,মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) র‌্যাব-১৫, আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে,টেকনাফ থানাধীন সাবরাং ইউনিয়নের কাটাবুনিয়া এলাকায় জনৈক জাফর আলমের ঘরে কতিপয় মাদক কারবারী অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয় কিংবা অন্যত্র চালানের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, সিপিসি-১ এবং সিপিসি-২ ক্যাম্পের সমন্বয়ে উক্ত স্থানে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে পৌঁছালে র‌্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পলায়নের চেষ্টাকালে জাফর আলম নামে একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত মাদক কারবারী তার সাথে থাকা অপর এক সহযোগীর নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে এবং সে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে দ্রুত পালিয়ে যায় বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত ব্যক্তিকে তল্লাশী করে তার হেফাজত থেকে মোট ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এছাড়াও অপরদিকে একইদিনে কক্সবাজার রামু থানাধীন কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকায় একজন মাদক কারবারী ইয়াবা ইয়াবা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, সিপিএসসি’র আভিযানিক দল মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ ইউনুস নামে এক মাদক কারবারীকে আটক করতে সক্ষম হয়।

উল্লেখ্য, র‌্যাব-১৫ এর পৃথক দু’টি অভিযানে সর্বমোট ৩৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারীকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটককৃত মাদক কারবারীরা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য পাশ্ববর্তী সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে নিজেদের হেফাজতে মজুদ করতো। পরবর্তীতে তা স্থানীয় এলাকা ও কক্সবাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে তাদের নির্ধারিত এজেন্টদের মাধ্যমে বিক্রয় করে মাদক সেবনকারীদের নিকট পৌঁছে দিতো। একই সাথে তারা এই মাদক পাচারে অবলম্বন করতো নিত্য নতুন অভিনব পদ্ধতি।

তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ আটককৃত ও পলাতক মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রামু ও টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION